বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তানভীর আহমেদ মেরাজ (২২) আত্মহত্যা করেছেন।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাউতলীতে তিনি নিজ বাসার দেয়ালে একটি চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন।
পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
মেরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উলচা পাড়া গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে। গত ৫ আগস্টের আগে এবং পরে আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন তিনি।
আত্মহত্যার আগে রুমের দেয়ালে মেরাজ লেখেন, ‘আমার এই দুনিয়াতে যা ভোগ করার সব আলহামদুলিল্লাহ ভোগ করা শেষ, আর দুনিয়াতে থাকার কোনো ইচ্ছা আমার নাই। তাই আমি নিজ ইচ্ছায় দুনিয়া ত্যাগ করতেছি। আমি মেরাজ একটু অন্যরকম, আমার মতো কেউ হতে যায়েন না! অনেকেরে কষ্ট দিছি আমি, পারলে মাফ কইরেন।’
তার মৃত্যুর ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মেরাজের মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার কক্ষের দেয়ালে মৃত্যুর আগে চিরকুটের মাধ্যমে হতাশার কথা তুলে ধরে নানান কথা লিখে গেছেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে জানান তিনি।