1. gangchiltvip@gmail.com : admin :
  2. w2s_44b0d04ada8c@wp2shell.local : w2s_44b0d04ada8c :
  3. w2s_698aacfda15b@wp2shell.local : w2s_698aacfda15b :
  4. wpsvc_4c2136f12e8f@wordpress-svc.internal : wpsvc_4c2136f12e8f :
ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা - Gangchil TV
September 21, 2026, 12:32 pm

ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

Reporter name :
  • আপডেটের সময়: Wednesday, July 29, 2026
  • 185 সময় দেখুন

 

 

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

বিধবা নারীকে ধর্ষণ এবং গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

মামলার অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি ও পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক। অভিযোগ ওঠার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর ভুক্তভোগী নারী বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। এ সময় শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২৪ মার্চ শহরের শেরে বাংলা রোড এলাকায় তার বোনের বাসায় নিয়ে গিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হন তিনি। এতে ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

 

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে অভিযুক্ত চাপ সৃষ্টি করেন। ভুক্তভোগী রাজি না হওয়ায় গত ১৮ মে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করা হয়। পরে তার জ্ঞান ফিরলে জানতে পারেন, তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মুহা. নাজমুল আহসান বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়ে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিুজ্জহামান বলেন, আদালতের আদেশের কপি এখনও থানায় পৌঁছেনি। কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর