1. gangchiltvip@gmail.com : admin :
মণিরামপুরে রাতের আঁধারে মাছ ধরার ঘটনা প্রকাশ, সাংবাদিককে ফাঁসাতে সুপারের দৌড়ঝাঁপ - Gangchil TV
April 8, 2026, 10:06 pm

মণিরামপুরে রাতের আঁধারে মাছ ধরার ঘটনা প্রকাশ, সাংবাদিককে ফাঁসাতে সুপারের দৌড়ঝাঁপ

Reporter name :
  • আপডেটের সময়: Monday, April 6, 2026
  • 43 সময় দেখুন

 

 

 

 

 

 

মণিরামপুর প্রতিনিধি:

মণিরামপুর উপজেলায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুকুর থেকে গভীর রাতে মাছ ধরার অভিযোগ প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির সুপারের বিরুদ্ধে।

 

চলতি মাসের ২ তারিখে দৈনিক যশোর বার্তাসহ একাধিক স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে ঢাকুরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা–এর সহকারী সুপার আবু জাফর, নৈশপ্রহরী খলিলুর রহমান ও দারোয়ান আশরাফ আলীর বিরুদ্ধে গভীর রাতে পুকুর থেকে মাছ ধরে বিক্রির অভিযোগ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

 

প্রকাশিত সংবাদের তথ্যমতে, মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য অভিযোগ করেন, পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন পুকুরটি এক ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। ওই ইজারাদার বায়না বাবদ তাৎক্ষণিক ১০ হাজার টাকা মাদ্রাসার তহবিলে জমা দেন। তবে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ইজারাদার দীর্ঘদিন যোগাযোগ না করায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কমিটির অন্যান্য সদস্যদের অবহিত না করেই গভীর রাতে পুকুর থেকে মাছ ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা সামাজিক ও আইনগতভাবে অপরাধ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার নূর মোহাম্মদ প্রথমে দাবি করেন, পূর্বের ইজারাদার নির্ধারিত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোররাতে মাছ ধরা হয়েছে। তবে সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে পড়লেও তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

 

পরবর্তীতে কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে সুপার নূর মোহাম্মদ অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিক মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

 

এদিকে, শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে দৈনিক যশোর বার্তার মণিরামপুর প্রতিনিধি এস এম তাজাম্মুলের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানা–তে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে পুলিশ বিষয়টিকে অযৌক্তিক বিবেচনায় আমলে নেয়নি বলে জানা গেছে।

 

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পুনরায় সুপার নূর মোহাম্মদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি থানায় কোনো অভিযোগ করতে যাননি বলে দাবি করেন। তবে অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা তুলে ধরা হলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর