1. gangchiltvip@gmail.com : admin :
  2. w2s_44b0d04ada8c@wp2shell.local : w2s_44b0d04ada8c :
  3. w2s_698aacfda15b@wp2shell.local : w2s_698aacfda15b :
  4. wpsvc_4c2136f12e8f@wordpress-svc.internal : wpsvc_4c2136f12e8f :
৬ মাসে বিমানবন্দরে ১৬৬ জনের কারাদণ্ড, ৬১ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা - Gangchil TV
September 1, 2026, 5:36 am

৬ মাসে বিমানবন্দরে ১৬৬ জনের কারাদণ্ড, ৬১ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা

Reporter name :
  • আপডেটের সময়: Tuesday, September 1, 2026
  • 32 সময় দেখুন

 

 

বিমানবন্দরে যাত্রী অধিকার রক্ষা ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গত ছয় মাসে অভিযান চালিয়ে ১৬৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৩৪ জনকে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৬১ লাখ ৫২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

 

বিমানবন্দরে কর্মরত চারজন এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে এসব ব্যবস্থা নেন। আদায়কৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

 

এয়ারপোর্ট এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের হয়রানি ও সমস্যা কমানো এবং বিমানবন্দরের সার্বিক পরিবেশ উন্নত করতে ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

 

বিমানবন্দরে যাত্রীদের অন্যতম বড় অভিযোগ লাগেজ থেকে মালামাল চুরি। তবে দেশে আসার পর লাগেজ থেকে চুরির অভিযোগ তদন্তে সিসি ক্যামেরা ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।

 

তবে একটি ঘটনায় ভুলে ফেলে যাওয়া ব্যাগ থেকে টাকা চুরির চেষ্টা করায় একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

অন্যদিকে, বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন কর্মী গত সময়ে যাত্রীদের ফেলে যাওয়া ২০০-এর বেশি মোবাইল ফোন, টাকা, অলংকারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দিয়েছেন।

 

লাগেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের লাগেজ ব্যবস্থাপনায় শতভাগ বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। লাগেজ বিমান থেকে নামানো বা বিমানে ওঠানোর সময় একসঙ্গে তিনজন কর্মী বডি ক্যামেরা ব্যবহার করেন।

 

কাজের সময় ক্যামেরাগুলো সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হয়। কাজ শেষে ক্যামেরা কন্ট্রোল রুমে জমা দিলে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ভিডিও ফুটেজ সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপলোড হয় এবং তা ৯০ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা হয়। এসব ফুটেজ প্রয়োজন অনুযায়ী যাচাই করা হয়।

 

এ ছাড়া যাত্রীদের লাগেজ যেসব স্থানে মানুষের সংস্পর্শে আসে, সেসব স্থানও সিসি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

 

তবে বিদেশ থেকে বিমানে লাগেজ ওঠানোর আগে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধ বা ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী পেলে লাগেজের তালা ভেঙে তল্লাশি করতে পারে। এ কারণে দেশে এসে কোনো লাগেজের তালা ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে।

 

এ ধরনের ক্ষেত্রে যাত্রীদের স্পষ্টভাবে অবহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

 

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, লাগেজ হারিয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের কাছে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা ও বডি-ওর্ন ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।

 

বিমানবন্দরের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে এবং অনিয়মের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কাজ চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

 

দেশে আসার পর কোনো লাগেজ থেকে চুরির ঘটনা সিসি ক্যামেরা, বডি-ওর্ন ক্যামেরা বা অন্য কোনো উপায়ে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির পাশাপাশি কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিমানবন্দর-সংক্রান্ত অভিযোগ বা মতামত জানাতে যাত্রীরা হটলাইন ১৩৬০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর