যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় অস্বাভাবিক হারে গড়ে উঠেছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতাল। স্থানীয়দের অভিযোগ—এর ফলে সরকারি এই স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রটি কার্যত ‘রোগী ধরার কেন্দ্র’-এ পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশেই অন্তত ১১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্রাইভেট হাসপাতাল চালু রয়েছে। এর বাইরে ক্লিনিকপাড়া এলাকায় আরও ৬টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন অংশে বিলাসবহুল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের উপস্থিতিও চোখে পড়ছে।
এত বিপুল সংখ্যক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কারণে সরকারি হাসপাতালে স্বাভাবিক ও নিরপেক্ষ চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে—এমন প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। ফলে সরকারি হাসপাতাল থেকেই রোগী নির্দিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রেফার বা প্রভাবিত করার অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে, অভয়নগরের সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
খুব শিগগিরই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, মালিকানা ও সংশ্লিষ্টতার তথ্যসহ পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।