1. gangchiltvip@gmail.com : admin :
  2. w2s_44b0d04ada8c@wp2shell.local : w2s_44b0d04ada8c :
  3. w2s_698aacfda15b@wp2shell.local : w2s_698aacfda15b :
  4. wpsvc_4c2136f12e8f@wordpress-svc.internal : wpsvc_4c2136f12e8f :
দোকানদারের ভুল কিটনাশকে বাঘারপাড়ায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন - Gangchil TV
August 17, 2026, 11:06 pm

দোকানদারের ভুল কিটনাশকে বাঘারপাড়ায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন

Reporter name :
  • আপডেটের সময়: Sunday, August 16, 2026
  • 52 সময় দেখুন

 

 

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বাঘারপাড়ায় কিটনাশক বিক্রেতার পরামর্শে পুকুরে আগাছানাশক প্রয়োগের পর প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভিট্যাবাল্লা গ্রামের মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলামের দুই বিঘা পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

 

মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলাম জানান, পুকুরের শ্যাওলা পরিষ্কারের জন্য তিনি স্থানীয় কিটনাশক বিক্রেতা মেসার্স রানা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রানার কাছে যান। শ্যাওলা পরিষ্কারের জন্য কোনো কিটনাশক আছে কি না জানতে চাইলে তাকে ‘প্যাডি ২০ এসএল’ নামের একটি আগাছানাশক দেওয়া হয়।

 

রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, বিক্রেতার দেওয়া ওই ওষুধ পুকুরে প্রয়োগের পর রাত থেকেই একে একে মাছ মারা যেতে শুরু করে। পরদিন পুকুরের পানিতে বিভিন্ন প্রজাতির মৃত মাছ ভেসে ওঠে। পুকুরে মিশ্র ও কার্পজাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছিল। এর মধ্যে কিছু মাছের ওজন পাঁচ কেজির বেশি এবং কিছু মাছের ওজন এক কেজির ওপরে ছিল বলে জানান তিনি।

 

তিনি বলেন, “কিছুদিন পরই মাছগুলো বিক্রি করার কথা ছিল। মাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য দুই লাখ টাকার বেশি হতো। কিটনাশক বিক্রেতার ভুল পরামর্শে আমার বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। একজন অনুমোদিত কিটনাশক বিক্রেতা কীভাবে পুকুরে ব্যবহারের জন্য এমন ওষুধ দিতে পারেন, তা আমার বোধগম্য নয়। আমি ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।”

 

‘প্যাডি ২০ এসএল’ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইয়ামিন ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের ওষুধ সাধারণত ফসল লাগানোর আগে জমি পরিষ্কার এবং বিভিন্ন ফসলের সারিতে জন্মানো আগাছা দমনে ব্যবহার করা হয়। এটি পাতার সংস্পর্শে কাজ করে এবং প্রয়োগের পর সবুজ আগাছা দ্রুত নষ্ট করে ফেলে। পুকুরে মাছ থাকা অবস্থায় এ ধরনের আগাছানাশক প্রয়োগ করা উচিত নয় বলেও জানান তিনি।

 

ইয়ামিন ইসলাম বলেন, “একজন মৎস্যচাষির এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিক্রেতা কী জ্ঞান বা পরামর্শের ভিত্তিতে ওই ওষুধ পুকুরে ব্যবহারের জন্য দিয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।”

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার ঘোষ বলেন, “আগাছা পরিষ্কারের ওষুধ কীভাবে পুকুরের শ্যাওলা পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করতে বলা হয়েছে, তা জানা নেই। পুকুরে কোনো ধরনের ওষুধ ব্যবহারের আগে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করলে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যেত।”

 

অভিযোগের বিষয়ে কিটনাশক বিক্রেতা রানা’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

 

মৎস্যচাষি রফিকুল ইসলাম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর