সংবাদ সম্মেলন
আমি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান। আমি বাঘারপাড়া উপজেলা পৌর জামায়াতের আমির হিসাবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।
দলের কাছে ও এলাকায় আমার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য আমার এলাকার সুচাতুর মাহাবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির প্ররোচনায় একটি কুচক্রী মহল সামাজিক মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ও কুৎসা রটনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাহবুবুর রহমান আমার প্রতিবেশী। তিনি আজ দুপুরে তার নিজ বাড়িতে কিছু কথিত সাংবাদিককে ডেকে আমার সুনাম ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কুৎসা রটনা করেন। তিনি দাবি করেন,১৯৬১ সালে সাব কবলা মুলে খরিদকৃত ৯৪ নং মৌজার ৪৪৩ খতিয়ানে ২১ শতক বাস্তভিটার জমি দীর্ঘদিন ভোগ দখলে থাকার পর, প্রতিবেশী জামায়াত নেতা সিদ্দিকুর ৭ শতক জমি জোর করে দখল করে প্রাচীর নির্মান করেছেন। যেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সেই ভিত্তিহীন দাবি কুচক্রী মহলটি আবার ফেসবুকে প্রচার করেন। যেটি আমার জন্য সম্মানহানীকর ও অত্যন্ত দুঃখজনক।
প্রকৃত ঘটনাটি হলো, বাঘারপাড়া উপজেলার বাঘারপাড়া মৌজার খতিয়ান নং ৫৭৬, ৯৪ , দাগ নম্বর সাবেক ১১১০ এর সাবেক মালিক হাজী আলমগং, হাজী গফুরগং, হাজী রহমতুল্লাহগং এর মোট জমির পরিমান ৩৬ শতাংশ। এর মধ্যে হাজী আলমগং এর নিকট হতে মাওলানা আবুল হোসেন ক্রয় করেন ১২শতাংশ , হাজী গফুরগং এর নিকট হতে রহমাতুল্লাহ মুন্সি ক্রয় করেন ১২ শতাংশ ,হাজী রহমতুল্লাহগং এর নিকট হতে জোহরুন নেসা ( বাদীর মা) ক্রয় করেন ১২ শতাংশ। জোহরুন নেসা (বাদীর মা) ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করা সত্তে ও বাদি ফসিউর রহমান ২১ শতাংশ জমি দাবি করিয়া বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালতে মামলা করেন। মামলা নম্বর ৯২৮৭ । উক্ত মামলায় বিজ্ঞ জজ মাওলানা আবুল হোসেন ১২, রহমতুল্লাহ মুন্সি ১২ ও জোহরুন নেসা ( বাদীর মা) ১২ শতাংশ করে রায় দেন। তারপর বাদি এর বিপক্ষে আপিল করেন আপিল নম্বর ২২০/ ৯২। উক্ত আপিলেও বিজ্ঞ জজ একই রায় বহল রাখেন । এরপর ও জমির সকল প্রকার সঠিক কাগজ পত্র ও প্রমান থাকার সত্তেও পরিকল্পিত ভাবে উদ্দেশ্য প্রণীত ভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে হয়রানি ও মানহানী করা হচ্ছে। যেটা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।
অতএব আমার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা , হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পরবর্তীতে এসব মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।