1. gangchiltvip@gmail.com : admin :
অবৈধ অনুপ্রবেশ, সাইবার জালিয়াতি ও নারী পাচার: বাংলাদেশি চক্রের হোতা বাবলু মোল্লা - Gangchil TV
May 12, 2026, 5:08 pm

অবৈধ অনুপ্রবেশ, সাইবার জালিয়াতি ও নারী পাচার: বাংলাদেশি চক্রের হোতা বাবলু মোল্লা

Reporter name :
  • আপডেটের সময়: Tuesday, May 12, 2026
  • 30 সময় দেখুন

 

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে কাঁটাতারের বেড়া টপকে ভারতে প্রবেশ করে দীর্ঘদিন ধরে সাইবার জালিয়াতি, নারী পাচার ও জাল নথিপত্র তৈরির মতো সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে বাবলু মোল্লা নামের এক বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে।

 

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, বাবলু মোল্লা “ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট” ব্যবসার আড়ালে জাল পাসপোর্ট, জাল নোট ও ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির একটি সক্রিয় চক্র পরিচালনা করছে। অভিযোগ রয়েছে, সে বাংলাদেশ থেকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীদের অবৈধভাবে ভারতে পাচার করে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজ্যে দেহব্যবসায় বাধ্য করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়।

 

সূত্রের দাবি, মানব পাচারের এই জঘন্য কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় বাবলু মোল্লা নিজের স্ত্রীকেও জোরপূর্বক এই কাজে যুক্ত করতে চেষ্টা করে। রাজি না হলে তাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনে বাধ্য করা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের তথ্যে জানা গেছে, চক্রটি জাল আধার কার্ড ও প্যান কার্ড তৈরি করে বিভিন্ন ব্যাংকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে সেসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা চালিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ব্যাংক হিসাব থেকে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

বাবলু মোল্লা ছদ্মবেশ ধারণে অত্যন্ত পারদর্শী। কখনো গাড়িচালক, কখনো ফুড ডেলিভারি কর্মীর পরিচয়ে সে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করে। তার সঙ্গে একাধিক সহযোগী রয়েছে, যারা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থেকে এই অপরাধচক্রের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

 

সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে তার অবস্থান দমদম ২ নম্বর গেট এলাকায়। তার ব্যবহৃত একটি গাড়ির নম্বর TS07FR4420 এবং একটি স্কুটির নম্বর TS08EH2518 বলে জানা গেছে।

 

আরও জানা গেছে, বাবলু মোল্লার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায়। অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারত-এ প্রবেশের পর সে সারুরনগর এলাকায় ভুয়া নথিপত্রের মাধ্যমে বসবাস শুরু করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এদিকে, এসব অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন করা সম্ভব হবে।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর